শিরোনাম
জরুরি পণ্য পরিবহন ছাড়া ভারতের সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধের প্রস্তাব করোনায় বেসামাল ভারত লাশের স্তুপ ফুরাচ্ছে না শ্মশানে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মিতে করোনায় মৃত্যুর হার কম: গবেষণায় দাবি বিদেশি গণমাধ্যম ঠেকাতে নজরদারি ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে চীন : রিপোর্ট বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ১৪ কোটি পাঁচ লাখ বাংলাদেশিদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ায় আবারও ভিসা নিষেধাজ্ঞা মুভমেন্ট পাসের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন ৩ লাখ ১০ হাজার জন স্বাগত পবিত্র রমজান,আত্মশুদ্ধির সর্বোত্তম উপায় চাঁদপুর স্থাপন হচ্ছে তিন শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ শরীরের ছাঁকনি ‘কিডনি’ পরিষ্কার ও সুস্থ রাখবেন যেভাবে
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
নুটিশ :
Wellcome to our website...

রমজানের রোযার ফজিলত ও করণীয়

রিপোটারের নাম / ৩২৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২০

ক্বারী মাওলানা মহিউদ্দীন চাঁদপুরী :

সাওম আরবী শব্দ এর অর্থ বিরত থাকা, ফার্সি শব্দ এর অর্থ উপবাস থাক সুবহি সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় পানাহার ও ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকাকে ফিক্কহে ইসলামীর পরিভাষায় সাওম বা রোজা বলা হয়। রোযা ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ বা রুকণ। তৃতীয় হিজরীতে শাবান মাসের ১০ তারিখে উম্মাতে মুহাম্মাদীর উপর মহান আল্লাহ তায়ালা ঘোষণার মাধ্যমে পবিএ রমজান মাসের রোযা ফরজ করেছেন। সকল সুস্থ, প্রপ্ত বয়স্ক ও জ্ঞান বান মুসলিম সমাজের আত্তিক উওকর্ষ স্বাধনের পাশাপাশি, পারস্পরিক সহনশীলতা, সামাজিক শুদ্বতা অর্জনে এবং প্রার্থিব লোভলালসা, হিংসা বিদ্বেষ পরিহার করে আত্বসংযম ও তাকওয়া হাসিলে রোযার গুরুত্ব ও অবদান রয়েছে।

রমজানের রোযার ফজিলত :

#রোজার ফযিলত সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, হে ইমানদারগন তোমাদের উপর রমজানের রোযা ফরজ করা হয়েছে, যেমনিভাবে তোমাদের পূর্ববতী গনের উপর ও ফরজ করা হয়েছে। যাতে তোমরা খোদা ভীরু তথা তাকওয়াবান হতে পার (আল-কোরআন,সূরা আল-বাকারা-১৮৩)।
# হযরত সালমান ফারসী (রা:) বলেন, শাবান মাসের শেষ দিনে রাসূল (সা:) সাহাবায়ে কেরামদের উদ্দেশ্য করে বলেন, তোমাদের উপর একটি মহান মোবারক মাস ছায়া ফেলেছে, এ মাসে হাজার মাস আপেক্ষা শ্রেষ্ঠ একটি রাত আছে। এছাড়াও এমাসে একটি ফরজ কাজ আন্য সময়ের সওরটি ফরজ কাজ আদায়ের সাওয়াব পাবে। আর এই মাস হলো সংযমের মাস- আর সংযমের ফল হলো জান্নাত। এটি সাম্যের মাস. এই মাসে রিযিক বৃদ্ধি করে দেওয়া হয় (বায়হাকী ও মীশকাত)।
# হাদীসে কুদসিতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, রোযা আমার জন্য এর প্রতিদান আমি নিজ হাতে দিব (বুখারী)
#হযরত আবু হুরায়ারা (রা:) হতে বর্ণিত রাসূল (সা:) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ইমান সহকারে রমজানের রোযা রাখে তার অতীতের পাপ সমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর যে, ব্যক্তি ইমান সহকারে রমজানে ইবাদত করে তার আতীতের পাপ সমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয় (বুখারী ও মুসলীম)।
#সাওম বা রোযা হচ্ছে কোন ব্যক্তি ও তার মন্দ কাজের মধ্যে ঢলা স্বরুপ, মহানবী (সা:) বলেছেন, সাওম (রোযা) ঢাল স্বরুপ (বুখারী ও মুসলীম) ।
#হযরত আবু হুরায়ারা (রা:) থেকে বর্ণিত রাসূল (সা:) ইরশাদ করেন, যখন রমজান মাস আগমন করে আকাশের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। অন্য বর্ণনা মতে, জন্নাতের দরজা সমূহ খুলে দেওয়া হয়। জাহান্নামের দরজা গুলো বন্ধ ররে দেওয়া হয়, এবং শয়তানদের শৃঙ্খলিত করা হয়। অন্য এক বর্ণনা মতে রহমতের দরজা সমূহ খুলে দেওয়া হয়। (বুখারী ও মুসলীম)।

রমযানে করণীয় :

* কোর-আন মাজীদ অবতীর্ণের মাস হিসাবে বেশি বেশি কোর-আন তিলওয়াত করা, কারণ হাদীসে আছে কোর-আন ও রোযা কোয়ামত দীবসে রোযা দারের জন্য সুপারীশ করবেন। (আল-কোরআন ও বায় হাকী)।
*বেশী বেশী নফল ইবাদত করা।
*প্রতিবেশী ও আত্তীয় স্বজনের খোজ খবর নেওয়া। যেহেতু হাদীসে আছে এ মাস সহমর্মিতার মাস (মিশকাত)।
*ভোর রাতে সাহরী খাওয়া। হাদীসে আছে তোমরা সাহরী খাও, এতে বরকত রয়েছে। (বোখারী ও মুসলীম)।
*ইফতার সামনে নিয়ে দোয়া করা । হাদীসে আছে ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়।(আবু দাউদ)।
*শবে কদরের রাএীতে জেগে থেকে ইবাদত করা । কেননা এই রাতে বান্দার অতীত জীবনের সকল পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। (বুখারী ও মুসলীম)।
*যাকাত প্রদান ও বেশী বেশী দান সদকা করা ।
*রমযানের শেষ দশ দিন ইতেকাফ করা ।
*সকল প্রকার খারাপ ও অনৈতিক কাজ বর্জ ন করা ।
*ঈদগায়ে যাওয়ার আগে সদকায়ে ফিতর আদায় করা ।
উপরোক্ত কোর-আন -হাদীসের আলেকে বলা যায় পবিএ রমজান মাসে রোযার ফযিলত ও ইবাদতের গুরুত্ব আত্যাদিক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

মাসিক তথ্য

ব্রেকিং নিউজ
Bengali BN English EN
ব্রেকিং নিউজ
Bengali BN English EN